এর আগে আগে ফটোশপে ডিজিটাল জাতীয় পতাকা-য় দেখিয়েছিলাম কি করে সঠিক মাপের ও রংয়ের একটি জাতীয় পতাকা তৈরী করা যায় ফটোশপে। তারপর হাওয়ায় দোলা পতাকা বানান ফটোশপে পোস্টে দেখিয়েছি কিভাবে তাকে হাওয়ায় দোলা একটি পতাকায় রূপ দেয়া যায়।
আজকের পোস্টে দেখাবো কী করে রিয়েলিস্টিক বা বাস্তব দেখতে হাওয়ায় দোলানো পতাকা বানানো যায়।
১। ফটোশপে ডিজিটাল জাতীয় পতাকা-য় তৈরী করা ফাইলটি খুলুন। ফাইলটির টাইট্ল বারে রাইট মাউজ বাটন চেপে যে মেনুটি পাবেন তা থেকে Duplicate সিলেক্ট করে ফাইলটির একটি ২য় কপি তৈরী করুন।
ব্লগার সজল শর্মার সাম্প্রতিক দুটি ছবি পোস্টে তিনি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত কিছু অপূর্ব ছবি দিয়েছিলেন ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার। ভারতের পোস্টে একটি ছবি দেখে আমার মনে হয়েছিলো ছবিটি হয়তো ক্যামেরায় তোলা নয়। আজকাল CGI (Computer-generated imagery) প্রযুক্তি দিয়ে প্রায় বাস্তব দৃশ্যের মত ছবি তৈরী করা যায়, সাম্প্রতিককালের মুভিগুলোতে আমরা হরহামেশাই সিজিআই এর প্রয়োগ দেখতে পাই। শিক্ষা ও পেশাগত প্রয়োজনে ৫/৬ বছর আগে আমার পরিচয় হয়েছিলো Bryce-3D, Kashmir-3D ও Terragen নামের তিনটি Terrain Rendering software এর সাথে। এগুলো যে কোন স্থানের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল, স্যাটেলাইট চিত্র ও আনুসাঙ্গিক আবহাওয়াগত প্যারামিটারগুলো থেকে প্রায় বাস্তব দৃশ্যের মত ছবি তৈরী করতে সক্ষম। টেকনিক্যালি একে আমার ফিল্ডে আমরা বলি সিনথেটিক টেরেইন। Terragen দিয়ে তৈরী কয়েকটি সিনথেটিক (কৃত্রিম) ছবি দেখুন (নেট থেকে নেয়া)। সময় পেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি এলাকার আমার করা কয়েকটি ছবি ভবিষ্যতে শেয়ার করার ইচ্ছা আছে।
(বিশেষ করে আলপিন, সকাল ও জায়দুল ইসলাম-এর আগ্রহে ট্যুটোরিয়ালটি দিলাম, অন্যদেরও কাজে লাগলে আনন্দ পাবো)
ফটোশপে ডিজিটাল জাতীয় পতাকায় দেখিয়েছিলাম কি করে সঠিক মাপের ও রংয়ের একটি জাতীয় পতাকা তৈরী করা যায় ফটোশপে। আজ দেখাবে কি করে তাকে হাওয়ায় দোলা একটি পতাকার রূপ দেয়া যায়।
জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত পুরনো পোস্টঃ
১. জরীপঃ জাতীয় পতাকার রং সঠিক জানেন কি?
২. জাতীয় পতাকার রং কি? জরীপ ও উপসংহার - পর্ব ১(২)
৩. জাতীয় পতাকার রং কি? জরীপ ও উপসংহার - পর্ব ২(২)
************
১। ফটোশপে File মেনু থেকে New সিলেক্ট করুন (বা Ctrl+N)
২। নুতন ফাইল তৈরীর যে ডায়ালগ বক্সটি পাবেন তাতে ডিজিটাল আর্টওয়র্কটির প্রস্থ ১০০০ এবং উচ্চতা ৬০০ টাইপ করে Ok করুন। লক্ষ্য রাখবেন Mode যেন RGB Color হিসেবে সিলেক্ট করা থাকে। Contents হিসাবে White সিলেক্ট করে নিতে পারেন, তাহলে এই টিউটরিয়াল-এর সাথে মিল থাকবে।
আমার প্রথম আলো ব্লগে যারা গিয়েছেন প্রোফাইলের ব্যানারে আমার মেয়ের অ্যানিমেটেড এই ছবিটি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন। অনেকেই তা খুব পছন্দ করেছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। দু'একজন সহব্লগার কিভাবে এটি করা যায় তাও জানতে চেয়েছেন। আমি তাদের কথা দিয়েছিলাম একটি পোস্ট দিয়ে চেষ্টা করবো কৌশলটির ওপর আলোকপাত করতে।
শুরুতেই বলে নেয়া ভাল, অ্যানিমেশনটি কোন ভিডিও থেকে নেয়া নয়, ৩টি স্থিরচিত্র থেকে তৈরী করা। যদিও ঘটনাক্রমে ছবি ৩টি অ্যানালগ ভিডিও ক্যামেরা থেকে সরাসরি ক্যাপচার কার্ডের সাহায্যে নেয়া (ডিজিটাল বা ফিল্ম ক্যামেরা দিয়ে নয়)। নিচের ৩টি ছবি আমার ব্যানার অ্যানিমেশনে ব্যবহার করেছি-
প্রথম আলো ব্লগে প্রকাশিত ডিসেম্বর ০৬, ২০০৯

আমার লেখা যান্ত্রিক বচন ও কিছু স্মৃতি -তে টেক্সট্-টু-স্পীচ প্রসংগে ভুল করে লিখেছিলাম-
"উন্নত বিশ্বের প্রধান ভাষাগুলোর সবই এর আওতায় চলে এসেছে - ইংরেজী, স্প্যানিশ, ফরাসি, জার্মান, ইতালিয়ান, ডাচ, রাশিয়ান, আরবী। ... ... ... দুঃখিত বাংলার জন্য আপাতত কোন সুসংবাদ নেই"।
প্রথম আলো ব্লগে প্রকাশিত ডিসেম্বর ০৫, ২০০৯
মুখবন্ধঃ
লক্ষ্য করেছি, ব্লগে বহুল জিজ্ঞাসিত 'টেকি' প্রশ্নের মধ্যে প্রধান প্রধানগুলো হচ্ছে-
ছবি সংযুক্ত করবো কিভাবে? লেখার ফন্ট ছোট-বড়/রঙীন করবো কিভাবে? লিংক দেবো কিভাবে? ... .... ইত্যাদি ইত্যাদি।
জবাব আসে-
<img src="... ..."/>
<p style="... ...">... ...</p>
<a href="... ...">... ...</a>
... .... ইত্যাদি ইত্যাদি।

দু'তিনটি ইমেল অ্যাকাউন্ট, সাথে চ্যাট আর স্কাইপ, কমপক্ষে ফেসবুক, সময় থাকলে ট্যুইটার-লিংক্ড্ইন - এ ছাড়া আজকাল আর কারো চলেই না। শ্লথ সময়ে সমস্যা নেই, কিন্তু ব্যস্ত সময়ে নিয়ম করে সবকটিতে সাইন-ইন করা, নুতন কি এলো সব তার ওপর চোখ রাখা কম ঝক্কি নয়। দিন দিন তাই জনপ্রিয় হচ্ছে ইউনিভার্সাল চ্যাট ক্লায়েন্ট নামে পরিচিত এক শ্রেণীর সফটওয়্যার। এদের কাজ হোল আপনার ডেস্কটপে বা সিস্টেম ট্রে-তে বসে থেকে কখন কে মেসেন্জারে সাইন-ইন সাইন-আউট করলো, কখন আপনার নুতন একটি মেল এলো, ট্যুইটারে যাদের ফলো করছেন তারা কখন কি ট্যুইট করলো, ফেসবুকে নুতন কি ঘটলো প্রায় তাৎক্ষণিক আপনাকে জানানো। এবার আপনি গুরুত্ব বুঝে ব্যবস্থা নিন।
যখন অন্য ভালো কিছু ছিলোনা, তখন আমার পছন্দ ছিলো ট্রিলিয়ান (Trillian), এখন পছন্দ ডিগস্বি (Digsby)। নিচের ছবিটি এর প্রধান ইন্টারফেসের। উইন্ডোটি টাস্কবারের মত অটো-হাইড করে রাখাও যায়।
এতে আপনি আপনার যে সব অ্যাকাউন্ট ম্যানেজ করতে পারবেন -
চ্যাট/মেসেণ্জারঃ Yahoo, Google Talk, MSN, ICQ, AIM, Jabber এবং Facebook Chat
ইমেলঃ Hotmail, GMail, Yahoo, AOL এবং যে কোন POP/IMAP মেল (যেমন- অফিসের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, আইএসপির দেয়া মেল অ্যাকাউন্ট)
সোশাল নেটওয়র্কঃ Facebook, Twitter, MySpace এবং LinkedIn
এই যে আমি লিখছি, একই সময় শুনছিও। গান নয়, প্রধান প্রধান সংবাদপত্রগুলোর আজকের দিনের শিরোনাম - ব্যাকগ্রাউন্ডে আমার কম্পিউটার আমাকে পড়ে শোনাচ্ছে। খুব যে মনোযোগ দিতে হচ্ছে তা নয়, ক্যাচি কোন শিরোনাম কানে আসলে লেখা বন্ধ করে একবার দেখে নেবো বিষয় কি। কম্পিউটার ভিত্তিক এই প্রযুক্তির নাম টিটিএস বা টেক্সট টু স্পীচ - কৃত্রিম স্বর বা সিনথেসাইজ্ড ভয়েস প্রযুক্তির একটি অংশ। এটি থাকলে আপনাকে আর সমসময় ওয়েবসাইট, পিডিএফ বা ওয়র্ড ডকুমেন্ট পড়তে হবে না, যখন নিজের পড়তে ইচ্ছে হবে না কম্পিউটারকে বলবেন পড়ে দিতে। আমি বিশেষভাবে এর একজন ভক্ত, প্রায়ই পড়ে শোনানোর কাজ ছেড়ে দেই পিসি-র হাতে।
দ্বিতীয় প্রজন্মের স্বর প্রযুক্তি
(হাবিবুর রহমান প্রজন্মের স্বর এখন আর আমার সংগ্রহে নেই)
Copyright 2010 সাইদুর রহমান চৌধুরী
Theme designed by Lorelei Web Design
Blogger Templates by Blogger Template Place | supported by One-4-All