Showing posts with label গ্রাফিক্স. Show all posts
Showing posts with label গ্রাফিক্স. Show all posts

থাইল্যান্ডের কথা ঘুরে ফিরেই চলে আসে, হয়তো জীবনের শ্রেষ্ঠতম সময়গুলোর একটি সেখানেই কাটিয়েছি বলে। পড়ছিলাম এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজী বা AIT তে। আমরা তখন সামার সহ আড়াই সেমিস্টার শেষ করে ৩য় সেমিস্টারে পা রেখেছি যখন আমাদের পরের ব্যাচ সেখানে পৌঁছালো। নিয়ম আছে নুতন ব্যাচ আসলেই একটি ওয়েলকাম ডিনার, একটি ওয়েলকাম প্লেজার ট্রিপ আর কোর্স শুরুর কিছুদিনের মধ্যেই একটি কালচারাল অনুষ্ঠান হবার, নাম ওয়েলকাম শো। AIT-র প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সব কিছুই এখানে দেশভিত্তিক আয়োজন করা হয়। কাজেই ওয়েলকাম শো-তে বাংলাদেশের পার্ফর্মেন্সের জন্য ঠিক করা হলো একটি হাস্যরসাত্মক নাটিকা, দু'চার জন মিলে একটি স্ক্রিপ্টও দাঁড় করিয়ে ফেললেন। যথারীতি আমাকে দেয়া হলো টাইটেল অ্যানিমেশন তৈরীর কাজ। ৫৩ সেকেন্ড স্থায়ী একটি অ্যানিমেশন তৈরী করেছিলাম, ভিডিওটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।


যাঁরা গতি বা অন্য কোন কারনে ইউটিউব ভিডিওটি দেখতে পারছেন না, তাদের জন্য কয়েকটি ফ্রেমের স্ন্যাপ দিলাম।


সবশেষে রিহার্সাল চলাকালীন কিছু মুহুর্ত-

Read more


যে অ্যানিমেশানটি দেখছেন এর নাম টাইম ল্যাপ্সড মুভি। নির্ধারিত সময়ান্তে অনেকগুলো ছবি তুলে সেগুলোকে একত্র করে এই টাইম ল্যাপ্সড মুভি বানানো হয়। এরকম ১৩৭ টি ছবি দিয়ে এই মুভিটি তৈরী করা, ছবিগুলো ৩০ সেকেন্ড পর পর তোলা। প্রথম ছবিটি তুলি ৪:১৬ মিনিটে এবং শেষ ছবিটি তুলি ৫:২৪ মিনিটে। সে হিসেবে ১ ঘন্টা ৮ মিনিট ধরে ছবি তোলা চলে। মুভিটি ব্রাউজারে পুরোপুরি লোড হয়ে গেলে প্রতি সেকেন্ডে ১৫ টি করে ছবি প্লে হবে, অর্থাৎ এই ৬৮ মিনিট সময় মাত্র ২০ সেকেন্ড সময়ের মধ্যে দেখা যাবে (বাস্তবের চেয়ে ২১০ গুন দ্রুত)।

যাদের নেট স্পীড একটু ভালো আছে তাঁরা নিচের দুটির যে কোনটি দেখতে পারেন।

(৮.৭৮ মে.বা.)


(২.৬১ মে.বা)

Read more

(ছবিটি নিতান্তই মজা করার উদ্দ্যেশ্যে দেয়া, কারো বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক হলেও তা পোস্টের উদ্দেশ্য নয়)


ডারউইনীয় ক্রমবিকাশ (বড় করে দেখার জন্য ছবির ওপর ক্লিক করুন)

Read more


প্রয়োজনে এবং শখের বশে গ্রাফিক্স ডিজাইন করি। সে হিসেবে শখের ছবিয়ালের মতো একজন অ্যামেচার ডিজাইনারও বলতে পারেন। তবে এই শখের ডিজাইনারের পরিচিতির কারনে কিছু পেশাদারী দায়িত্বও পেয়েছিলাম কখনো কখনো। দায়িত্ব হিসাবেই গোটা দশেক প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছিলাম বিভিন্ন সময়ে। তারই ছয়টি আমার কম্পিউটারে এখনো খুঁজে পাওয়া গেল। এগুলোর বেশিরভাগই বিজ্ঞান বিষয়ক রিপোর্ট, একটি নিয়মিত বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল ও একটি সংকলন।

নিচের ছয়টি ছবি সামনের প্রচ্ছদের, পরের তিনটি ছবি ৩টি প্রচ্ছদের সিনথেটিক স্ন্যাপশট। সিনথেটিক স্ন্যাপশট হলো প্রচ্ছদটি ছাপাবার আগেই বইটি মলাটবদ্ধ অবস্থায় কেমন দেখাবে তার একটি কৃত্রিম ফটোগ্রাফিক রূপায়ন, কম্পিউটার গ্রাফিক্সের সাহায্যে করা। আমার প্রতিটি প্রচ্ছদের জন্য আমি সিনথেটিক স্ন্যাপশট তৈরী করে দেখেছি, তবে এই ৩টি ছাড়া অন্যগুলো এখন আর পিসিতে খুঁজে পাইনি, হয়তো কোন ব্যাকআপ সিডিতে থাকতে পারে। কয়েকটি প্রচ্ছদের ছবিতে প্রকাশকের লোগো এবং টাইটেলের কিছু অংশ ইচ্ছাকৃত ঝাপসা করে দিয়েছি, আশা করি তাতে প্রচ্ছদটি বুঝতে অসুবিধা হবে না।

ছয়টি প্রচ্ছদ




সিনথেটিক স্ন্যাপশট


Read more